অফিস টাইম এ ট্রেন গুলিতে যেরকম ভীড় হয় তাতে বড় দুর্ঘটনা যে কোনো মুর্হুতে ঘটে যেতে পারে৷ সমষ্যা টা সমস্ত মানুষের কাছে গুরুতর বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে৷ বর্তমানে আবার দুর্ঘটনাগুলির কৃত্রিমতা লক্ষ্য করার মতো |কোনো ত্রকটি ট্রেন মেয়েদের জন্য বা ছেলেদের জন্য করে দেওয়ায় বা কোনো ট্রেনের কয়েকটি কামরা কোনো বিশেষ লিঙ্গ দের জন্য করে দেওয়ায় যেমন কোনো সমস্যার সমাধান হয় না তেমনি সর্বসাধারনের জন্য কামরাগুলি খুলে দেওয়া মানে “লিঙ্গসাম্য” নয় ,সাম্য মানসিক উতকৃষ্টতার প্রতিফলন যা হঠাত নয় বরং বহু ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে | সাম্যের নামে সবারজন্য কামরা করে দিলে সেখানকার ভিড়ে নানা লিঙ্গের মানুষদের যেভাবে হেনস্থা হতে হয় তাতে সাম্যের প্রতিফলন আদৌ দেখা যায় ? বরং হনুমানের মুখের ভিতর কলা রাখার গল্পের মতো হবে | সাম্যের নামে সবারজন্য উন্মুক্ত করা হল অথচ মানসিকতায় সাম্যের কোনো লক্ষন না থাকলে তা কি করে সমাধান হতে পারে ! ট্রেন সংখ্যা যেমন ছিল তেমনই থাকছে সেখানে লিঙ্গ বিশেষে ট্রেন চালুও সমস্যার সমাধান হতে পারে না | বিশেষ কোনো লিঙ্গের মানুষদের রিসার্বেশন প্রয়োজন কিনা সেই বিতর্ক টি বাদ রেখে বলছি জেনেরল কামরা গুলিতে রোজ যে পরিমান মেয়েদের হেনস্থা হতে হয় বা মেয়েদের কামরাগুলি না থাকলে মেয়েদের যে পরিমান হেনস্থা হতে হবে তার সমাধান কি হওয়া উচিত ?আমি কিন্তু রিসারবেশন বিরোধী কিন্তু এর সমাধাম টি ও জানতে চাই৷ যদি ধরেও নি কয়েক বছরের মধ্যে চেতনার প্রভাবে এরকম মানসিকতার দ্রুত পতন হবে (খুব তাড়াতাড়ি কি সম্ভব! !) ততদিন অবধি তাদের উপর হেনস্থা বন্ধ করা হবে কীভাবে ? ভীড় ট্রেনে আমি "ত্রলবোয়িং" করলাম সেটা খুজে বার করতে কী পুলিশ সবাই কে পেটাবে ? মেইন লাইন বা বনগাঁ লাইনগুলিতে সকালের দিকে ডাউন আর বিকেলের দিকে আপের ক্ষেত্রে কোনো মহিলা ভুলবশত জেনেরল কামরায় উঠলে “কেনো এই কামরায় উঠেছেন” থেকে শুরু করে আরও অনেক পরিস্থিতীর সম্মুখীন হতে হয় যার প্রকৃত অবস্থা আমার , আপনার মতো পিতৃতান্ত্রিক ক্ষমতা বহনকারীরা উপলব্ধি করতে পারবো না ,পারলে নিজের প্রিয় মানুষ কে দিয়ে অবস্থাটির বিচার করুন | বেশ অবাক হলাম একের পর এক ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে চলেছে আর আমরা একে অপরের দিকে কাদা ছুঁড়ে চলেছি | ত্রকবারও কেউ আরোও ট্রেন চালানোর দাবী করল না বা ট্রেন গুলির কামরা সংখ্যা বাড়ানোর কথা তুললো না যেটা সমষ্যার সমাধান করতে পারে বরং নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি করে এটার জানান দিয়ে থাকি “হে বিশ্ব দেখো আমরা তারা যারা তোমাদের দুঃখে বুক চাপড়াই ,আর আমরাই তারা যারা মৃত্যুদূত……”
আসলে ….
“ সৈনিকে সৈনিকে লড়ে মরে.
রাজার মুখে হাসি ফোটে |”
কি দেখাও তুমি পুরুষ ! আমি তো দেখি মনিপুর ,কাশ্মীর জুড়ে মেয়েদের হাহাকার|
আমি আরও দেখি ,বৌ কে অন্যের কাছে বিক্রি করতে | রোজ রাতে তাকে ধর্ষন করতেও তোমার বাধে না | হত্যা ? হাসালে পুরুষ ,প্রতি বাড়িতে মা-বোন কে তিলে তিলে মরতে দেখো না ?
পুনশ্চ :-কাদা ছুড়ছি না বরং যারা এরকম পরিস্থিতিতেও একে অপরের পাশে না থেকে ,সমাধানের কথা না ভেবে একটি ঘটনার ভিত্তিতে একে অপরের উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে ও বৈষম্যমূলক মানসিকতার প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে তাদের তুলনার সুবিধার্থে |
বিঃদ্রঃ :- নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা কেন্দ্রিক মতামত নয় ,এত দিনে যা দেখে আসছি এটা তারই প্রতিফলন |
পুনশ্চ 2 :- সকাল ও বিকেলে অফিস টাইমে মহিলা কামরা গুলি দেখেছেন ?
No comments:
Post a Comment