সৌরভ না ধোনী? রোনাল্ডো না মেসি? বন্ড না শার্লক?
যতোদিন সময় বহমান থাকবে ততদিন তুলনা থাকবেই কেও বায়াসডনেস থেকে তুলনা করবে কেও স্ট্যাস্টিটাক্স দেখে কেও বা গুন দেখে ফেভারিট বেছে নেবে।
বন্ড, জেমস বন্ড হলেন সেইরকম ডিটেকটিভ যিনি কিনা শেহওয়াগ টাইপের ব্যাটসম্যান মানে শুরু থেকেই মারকাটারি ব্যাপার। গোয়েন্দা ব্যাপারের থেকেও বেশি প্রাধান্য পায় একশনগুলি। এক এক জনের এক এক ধরন যা হয়। যেমন বক্সীবাবু মারকাটারি ব্যাপারটা কমই করতেন কিন্তু বুদ্ধির খেলায় তিনি আবার ভীষন স্বচ্ছল তেমনি হলেন শার্লক হোমস। তিনি লড়াইটা ভালোই জানলেও আসল অস্ত্র ওনার মগজ।
ডিটেকটিভ লাইনে বই অনুযায়ী দু-ধরনের ডিটেকটিভ রয়েছে এক বক্সী/শার্লক-বুদ্ধি প্রায়ওরিটি বেশি পায় আর আরেক ধরনের হলো ফেলুদা/জেমস বন্ড-একশন বেশি প্রায়ওরিটি পায়।
আর প্রবাদ আছে "Intelligence is sexy" তাই আমার কাছে বক্সী/শার্লক প্রিয় বেশি।
রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে যদি কোনো খাবার ভীষন ভালো লেগে যায় তাহলে তারপর কোনো খাবার যদি কিছুটা কম খারাপ হয় তাহলে সেটাকে বাজে মনে হবে। এটা বলার কারন ধরুন কেও R.Downey jr. কে Iron Man সিনেমায় দেখছে, এখানে কিন্ত অভিনয় সেরম কিছু নেই, রয়েছে SWAG, এটিটিউড আর ডোন্ট কেয়ার যেটা হলো Iron man এর আসল চরিত্র এই জন্য ওনাকে দারুণ মানিয়েছে। এবার ওনাকেই আবার Sherlock Holmes সিনেমায় দেখুন, অভিনয়ে জানেন সেটা কেবল প্রমানই করেননি উপরন্তু দেখিয়েছেন যে Iron man এটিটিউড থেকে বেরিয়ে অন্য ধরনের কঠিন চরিত্র করতেও পারেন। RDJ এর অভিনীত Sherlock Holmes সিনেমা দুটিই খুব ভালো লাগবে( আমার সেকেন্ড পার্টটা বেশি পছন্দ)। এর পরে যদি কেও Benedict এঁর Sherlock Holmes সিরিজটা দেখে থাকে( শুধু সিজন ১ নয়) তাহলে তখন সবার Benedict এঁর শার্লক চরিত্র টা বেশী ভালো লাগবে। বইয়ে যেমন বর্ননা করা হয়েছে তার সাথে Benedict এর মিল অনেকবেশি উপরন্তু চোখ বেশি বুদ্ধিদীপ্ত লেগেছে( সেটা সিজন ২ থেকে)। দুজনেই কিন্তু দারুন। আমি দুজনকেই সমানে রাখবো সেটা আমার কিছুটা বায়াসডনেস এর জন্য। তাবলে ফ্যাক্টকে এড়ানো যায়না। এবার যদি Jeremy Brett এর Sherlock Holmes দেখে কেও তাহলে এনারটাই সবচেয়ে ভালো লাগবে এটিটিউডের কারনে( মাত্র একটা সিনেমা দেখেও)।
এবার যদি উল্টো সিকোয়েন্সে Sherlock Holmes দেখা হয় মানে প্রথমে Jeremy Brett এর তারপর Benedict তারপর RDJ এর শার্লক হোমস তাহলে হয়তো Benedict ও RDJ এর শার্লক ভালো নাও লাগতে পারে আর কারন আগেই বলেছি।
জোয়াকিম ফিনিক্স না হেথ লেজার ? এক্ষেত্রেও একই।
এবার আসি SH এর সিরিজ নিয়ে...
সিজন ১ ভীষনই বোরিং যে কারনে আমি সিজন ১ বাদে বাকি গুলো রিপিট করলাম। কিন্তু সিজন ২ থেকে একের পর এক চমক, সাসপেন্স, থ্রিলিং, নার্ভ সবসময় উত্তেজিত থাকবে। আর সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হলো পর পর টুইস্ট।
ক্রাইম-থ্রিলার-সাসপেন্স এই genre এর ওয়ান অব দি বেস্ট ক্রিয়েশন। যারা মাইন্ড ব্লোয়িং, টুইস্ট এই জাতীয় সিনেমা পছন্দ করেন তারা এই সিরিজটা দেখুন কারন এক একটা এপিসোড এক একটা সিনেমার মতোন এতে অনেকটা টাইম ওকুপাইড থাকা যাবে। তবে সিরিজটা এক একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট মতো হলেও পর পর এপিসোড অনুযায়ী সিরিজটা দেখা উচিত। দেখে বোর হবেননা এবং এটা ওর্দিও। ৪ টি সিজন আর মোট ১৩ টা এপিসোড (১ টা এস্পেশাল) । প্রতিটা এপিসোড এপ্রক্সিমেটলি ১২৫ মিনিট মতো।
আর এটার এস্পেশ্যালিটি হলো এই সিরিজটার টাইমিং হলো বর্তমান সময়ের মানে যেখানে সব আধুনিক, এন্ড্রয়েড ফোন রয়েছে, হ্যাকিং হয়। বাকি সিনেমাগুলোর মতো লিখিত বইয়ের সমসাময়িক নয়।
৯.১ অন IMDB, 8.9 অন TV.com.
One of the best line from the series.
No comments:
Post a Comment