Bibaho Diaries...
গতকাল হাতে কোনো সিনেমা ছিলোনা দেখার জন্য তাই বিবাহ ডায়েরিস সিনেমাটা ডাউনলোড করে চালিয়ে দিলাম। ওমা দেখি এতো ইয়ং জেনারেশনের প্রেমের বিয়ের এফেক্ট আর কিভাবে কি হয় সেসব দেখাচ্ছে। মধ্যবিত্ত বাড়ির মায়ের উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ের প্রতি ধারণা আর সাংসারিক মা-বৌমার ইনিংস যা হয় আরকি। কিন্তু এর পরে গিয়েও সিনেমাটা ওই টিপিক্যাল বাংলা সিনেমার মেজ-সেজ বৌ সিনেমার মতো পারিবারিক ড্রামা হয়ে ওঠেনি। আমাদের জেনারশনের বিয়ের প্রতি যে ভয় তা দেখিয়েছে এবং তার কারনটা ব্যাখ্যাও করেছে তবে মজার ছলে করায় ব্যাপারটা বেশ এড়িয়ে গেছে। তবে ইয়ং জেনারশনের বিয়ের প্রতি ভয়, সংসার, সম্পর্ক ঠিক যেরকম টাই হয় ঠিক তেমনটাই ফুটিয়ে তুলেছে। এটা কোনো রোম্যান্টিক সিনেমা না এটি একটি বাস্তবিক সিনেমা যার মধ্যে বহু মানুষ নিজের জীবনের মিল পাবে, মিল পাবে সমবয়সি প্রেমিক-প্রেমিকারা, নাট্য জগতের সঙ্গে যুক্ত মানুষরা, মা-বৌমারা, সর্বোপরি বৌয়ের ভয়ে চুপসিয়ে থাকা বরেরা যাদের বৌকে লুকিয়ে ফুটবল দেখতে যেতে হয়। তবে সিনেমাটা মোটেই মুখ গোমড়া করে রাখা সিরিয়াস সিনেমা নয়। প্রথম থেকে শেষ অবধি ঠোঁটের কোনো হাসিতো থাকবেই মাঝে মাঝে পেটে হাসির জন্য খিল ধরে যাবে। এরম একটা সিরিয়াস সিনেমাটা যেভাবে হাসির মধ্যে দিয়ে উপস্থাপনা করা হয়েছে তা সত্যিই অনবদ্য।
সোহীনি কে নিয়ে আর কি বলবো, অন্য জাতের অভিনেত্রী।
বিশ্বনাথ অল্পসময় স্ক্রিনিং নিলেও সুন্দর পারফর্মেন্স করেছে।
বিশ্বনাথের প্রেমিকার চরিত্রটা ভীষন দরকার ছিলো আর এটাই সিনেমার মাস্টারস্ট্রোক কারন ওই চরিত্রটা সেই মানুষদের রিপ্রেজেন্ট করে যাদের আমরা অন্যভাবে দেখি। তাদের বিচার করি কাপড় নিয়ে, তাদের তথাকথিত জানু পুচু সোনা বলে ডাকার "নেকামোকে", কথা বলাকে। কিন্তু এদের মধ্যে যে নরম মনটা, একটা ভালো মানুষ থাকে সেটাই এই চরিত্র তুলে ধরেছে। ঠিক যেমন করিনা কাপুরের চরিত্র Kabhi Kushi Kabhi Gham এর।
ঋত্ত্বিককে নিয়ে বলার কিছু নেই, উনি সমস্ত কিছুর উর্দ্ধে।
তবে পারিবারিক সমষ্যাগুলি বেশী না দেখিয়ে সিনেমাটা মেইন জায়গায় নিয়ে গিয়েছে যেটা আরো দেখানো উচিত ছিলো হয়তো এটা ভেবে দেখাইনি যে সবাই সমষ্যাগুলো জানে কিন্তু যারা এখনো বিয়ে করিনি তারা আরো কিছু উদাহরন দেখতে পারতো অভিজ্ঞতা তৈরির জন্য।
A Winkle In time...
Disney এর সিনেমাগুলো মেইনলি বাচ্চাদের জন্য হলেও বড়োদেরও ভালো লাগে। এই সিনেমাটা স্পেস আর অন্য ডাইমেনশনের ব্যাপার থাকায় দেখা শুরু করি। শেষের দিকে গিয়ে আর দেখতেই ইচ্ছা করছিলোনা। Meg চরিত্রটা ভীষন ইরেটেটিং। দুর্বল থেকে শক্ত হওয়ার বিলিন্ডিং না দেখিয়ে শেষে টিপিক্যাল হিন্দি সিনেমায় যেমন আধমরা হিরো হঠাৎ বেচে উঠে সবাইকে কেলায় তেমন টাইপের ফিনিশিং অনেকটা। যতটা সিরিয়াস বিল্ড আপ করতে চেয়েছে ঠিক তার উল্টোটাই হয়েছে।
No comments:
Post a Comment