Tuesday, 21 April 2020

Jojo Rabbit...

     সিনেমা আমাদের অনেককিছুই শেখায়, অনেকক্ষেত্রে অনেকের জীবনের কথা এমনভাবে তুলে ধরে যা স্বাভাবিকভাবে বুঝতে পারতাম না কিন্তু উপস্থাপনার কারনে রিলেট করতে পারি যাকে বলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো। 

     আমাকে কেও সিনেমা কেমন নিয়ে জানতে চাইলে ভালো-খারাপ বলে থাকি, এখানে আমার পছন্দটাই প্রায়রিটি পায় মানে আমার পছন্দের Genre, টাইপ ইত্যাদি কিন্তু এরমানে এই নয়যে কোনো সিনেমার গল্প ভালো না হলে বা স্ট্রেট হলে সিনেমা খারাপ যেমন ১৯১৭ সিনেমাটা। সাধারন-স্ট্রেট গল্প কিন্তু দারুন কারন ? কারন সিনেমায় ক্যাটেগরি বলে কিছু জিনিস আছে যেমন খাবারেও থাকে। ঝাল, নোনতা, মিষ্টি আবার মিষ্টির ভাগ আছে, তেমনই।
    আমি ভাবছিলাম অস্কার পাওয়া সিনেমা ভালো হবে মনে হয়। কিন্তু কিছুক্ষনপর বোরিং লাগছিলো। কিন্তু কোনো সিনেমা বা সিরিজ শুরু করলে আমি শেষ না করে ছাড়িনা। শেষে মনে হলো না একটা সত্যি ক্লাসিক সিনেমা দেখলাম আর তাতে একটি বাচ্চা কাঁপিয়ে গেলো। আমি জানিনা কার কেমন লাগবে তবে আমার মনকে ভীষন তৃপ্তি দিয়েছে সিনেমাটা। অস্কার পাওয়ার মতো সিনেমা কিনা জানিনা তবে মেটাফোর আর স্যাটায়ার এর মিশ্রনে তৈরি একটা ক্লাসিক সিনেমা এটা।
     Jojo এর অভিনয় যে বাচ্চাটা করেছে তাকে নিয়ে বলার ভাষা আমার নেই। হাসির কিন্তু মন খারাপ করে দেবে ছেলেটার জন্য।
   Scarlett Johansson কে মার্ভেল সেক্স সিম্বল হিসেবে দেখিয়েছে কিন্ত উনি জাত চিনিয়েছেন Marriage story সিনেমায়। এখানে অল্প সময়ে যথেষ্ট ভালো অভিনয় করেছেন। ভীষন ইন্টারেস্টিং চরিত্র। ওনার চরিত্রটা আমাদের সকলের মনের বিদ্রোহী দিকটা তুলে ধরেছে।
      Captain এর চরিত্রটা আমার সবচেয়ে প্রিয়, বরাবরই, ট্রাজিক হিরো। এনারা হলেন তারা যারা সমাজে কিভাবে টিকে থাকতে হয় জানেন কিন্তু ভিতরে বিরক্ত, নিজেকে চেপে রাখে কিন্তু যখন ডিলেমায় পরেন তখন ঠিকটা বেছে নিয়ে ট্রাজিক হিরো হয়ে ওঠে, এদের নাম কোথাও লেখা থাকেনা।
     ইহুদি মেয়েটির চরিত্র আমার কাছে সিম্বলিক লেগেছে, স্বাধীনতার ঠিক যেমন জোজোর মায়ের চরিত্রটা।
       হয়তো অনেকের সিনেমাটা ভালোলাগবেনা তা সত্ত্বেও আমি এটা ভালো সিনেমা হিসেবে সাজেস্ট করবো কারন এটা ভালো সিনেমাই। হিটলারের সমসাময়িক এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিনেমাটি ওয়ান অবদি বেস্ট স্যাটায়ার।
     সিনেমাটা অস্কার পেয়েছে Best Adapted Screenplay ক্যাটাগরিতে।
      ৭.৯ অন IMBD, ৭৯% অন Rotten Tomatoes, ৪.৮ অন Facebook.

Two iconic moments from the movie.


Monday, 20 April 2020

The Lone Ranger...

ওয়ান অব দ্যি আন্ডাররেটেড ফিল্ম। সিনেমার গল্প খুব‌ই সাধারন যেমন হিন্দি সিনেমায় হয়কি, ভালো মানুষদের উপর খারাপদের অত্যাচার আর হিরো এর এন্ট্রি। তবে সিনেমাটা সাধারন হয়েও সাধারন নয় কারন এখানে হাসি মুখে তামাশা মারা হয়েছে, তামাশা মারা হয়েছে উপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে, গায়ের রঙের বিবেচনার বিরুদ্ধে, যেভাবে আদিবাসীদের এলাকা দখল করা হয় নিজেদের স্বার্থে, সেসবের বিরুদ্ধে। 
জানিনা কেনো সব জায়গায় এর রেটিং এতো কম কিন্তু দুজন মানুষ সিনেমার মেরুদন্ডের কাজ করেছেন। একজন সাইড চরিত্র অভিনয় করেছেন সিনেমায় Jhonny Depp এবং আরেকজন তার মেকাপ আর্টিস্ট।
   Jhonny Depp নিজেকে চরিত্র এর জন্য যেভাবে পাল্টাতে পারে সেরম একমাত্র Christian Bale ও  Joaquim Pheonix কে দেখেছি। যেকোনো চরিত্র করতে পারে। 
   গেস্ট এপিয়ারেন্স হিসেবে Helena Bonham(HP এর Bellatrix Lestrange) যা অভিনয় করে গেছেন তাতে যে কেও মুগ্ধ হয়ে যাবে, একদম ক্ষনিকের চরিত্র কিন্তু এককথায় ফারু।
      দেখে ভালোই লাগবে সবার আশা করছি।

SH.. William Sherlock Scott Holmes.

সৌরভ না ধোনী? রোনাল্ডো না মেসি? বন্ড না শার্লক?
   যতোদিন সময় বহমান থাকবে ততদিন তুলনা থাকবেই কেও বায়াসডনেস থেকে তুলনা করবে কেও স্ট্যাস্টিটাক্স দেখে কেও বা গুন দেখে ফেভারিট বেছে নেবে।
    বন্ড, জেমস বন্ড হলেন সেইরকম ডিটেকটিভ যিনি কিনা শেহ‌ওয়াগ টাইপের ব্যাটসম্যান মানে শুরু থেকেই মারকাটারি ব্যাপার। গোয়েন্দা ব্যাপারের থেকেও বেশি প্রাধান্য পায় একশনগুলি। এক এক জনের এক এক ধরন যা হয়। যেমন বক্সীবাবু মারকাটারি ব্যাপারটা কম‌ই করতেন কিন্তু বুদ্ধির খেলায় তিনি আবার ভীষন স্বচ্ছল তেমনি হলেন শার্লক হোমস। তিনি লড়াইটা ভালোই জানলেও আসল অস্ত্র ওনার মগজ।
     ডিটেকটিভ লাইনে ব‌ই অনুযায়ী দু-ধরনের ডিটেকটিভ রয়েছে এক বক্সী/শার্লক-বুদ্ধি প্রায়‌ওরিটি বেশি পায় আর আরেক ধরনের হলো ফেলুদা/জেমস বন্ড-একশন বেশি প্রায়‌ওরিটি পায়।
    আর প্রবাদ আছে "Intelligence is sexy" তাই আমার কাছে বক্সী/শার্লক প্রিয় বেশি।
   রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে যদি কোনো খাবার ভীষন ভালো লেগে যায় তাহলে তারপর কোনো খাবার যদি কিছুটা কম খারাপ হয় তাহলে সেটাকে বাজে মনে হবে। এটা বলার কারন ধরুন কেও R.Downey jr.  কে Iron Man  সিনেমায় দেখছে, এখানে কিন্ত অভিনয় সেরম কিছু নেই, রয়েছে SWAG, এটিটিউড আর ডোন্ট কেয়ার যেটা হলো Iron man  এর আসল চরিত্র এই জন্য ওনাকে দারুণ মানিয়েছে। এবার ওনাকেই আবার Sherlock Holmes সিনেমায় দেখুন, অভিনয়ে জানেন সেটা কেবল প্রমান‌ই করেননি উপরন্তু দেখিয়েছেন যে Iron man এটিটিউড থেকে বেরিয়ে অন্য ধরনের কঠিন চরিত্র করতেও পারেন। RDJ এর অভিনীত Sherlock Holmes সিনেমা দুটিই খুব ভালো লাগবে( আমার সেকেন্ড পার্টটা বেশি পছন্দ)। এর পরে যদি কেও Benedict এঁর Sherlock Holmes সিরিজটা দেখে থাকে( শুধু সিজন ১ নয়) তাহলে তখন সবার Benedict এঁর শার্লক চরিত্র টা বেশী ভালো লাগবে। ব‌ইয়ে যেমন বর্ননা করা হয়েছে তার সাথে Benedict এর মিল অনেকবেশি উপরন্তু চোখ বেশি বুদ্ধিদীপ্ত লেগেছে( সেটা সিজন ২ থেকে)। দুজনেই কিন্তু দারুন। আমি দুজনকেই সমানে রাখবো সেটা আমার কিছুটা বায়াসডনেস এর জন্য। তাবলে ফ্যাক্টকে এড়ানো যায়না।  এবার যদি Jeremy Brett এর Sherlock Holmes দেখে কেও তাহলে এনারটাই সবচেয়ে ভালো লাগবে এটিটিউডের কারনে( মাত্র একটা সিনেমা দেখেও)। 
     এবার যদি উল্টো সিকোয়েন্সে Sherlock Holmes দেখা হয় মানে প্রথমে Jeremy Brett এর তারপর Benedict তারপর RDJ এর শার্লক হোমস তাহলে হয়তো Benedict ও RDJ এর শার্লক ভালো নাও লাগতে পারে আর কারন আগেই বলেছি।
     জোয়াকিম ফিনিক্স না হেথ লেজার ? এক্ষেত্রেও এক‌ই। 
  এবার আসি SH এর সিরিজ নিয়ে...
   সিজন ১ ভীষন‌ই বোরিং যে কারনে আমি সিজন ১ বাদে বাকি গুলো রিপিট করলাম। কিন্তু সিজন ২ থেকে একের পর এক চমক, সাসপেন্স, থ্রিলিং, নার্ভ সবসময় উত্তেজিত থাকবে। আর সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হলো পর পর টুইস্ট। 
    ক্রাইম-থ্রিলার-সাসপেন্স এই genre এর ওয়ান অব দি বেস্ট ক্রিয়েশন।  যারা মাইন্ড ব্লোয়িং, টুইস্ট এই জাতীয় সিনেমা পছন্দ করেন তারা এই সিরিজটা দেখুন কারন এক একটা এপিসোড এক একটা সিনেমার মতোন এতে অনেকটা টাইম ওকুপাইড থাকা যাবে। তবে সিরিজটা এক একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট মতো হলেও পর পর এপিসোড অনুযায়ী সিরিজটা দেখা উচিত। দেখে বোর হবেননা এবং এটা ওর্দিও। ৪ টি সিজন আর মোট ১৩ টা এপিসোড (১ টা এস্পেশাল) । প্রতিটা এপিসোড এপ্রক্সিমেটলি ১২৫ মিনিট মতো।
   আর এটার এস্পেশ্যালিটি হলো এই সিরিজটার টাইমিং হলো বর্তমান সময়ের মানে যেখানে সব আধুনিক, এন্ড্রয়েড ফোন রয়েছে, হ্যাকিং হয়। বাকি সিনেমাগুলোর মতো লিখিত ব‌ইয়ের সমসাময়িক নয়।
     ৯.১ অন IMDB, 8.9 অন TV.com.

One of the best line from the series.

Thursday, 16 April 2020

Made in heaven...

      আমাদের সমাজে কেও যদি বলে তার কোনো পরিচিত সমকামী তাহলে সবাই রে রে করে উঠবে কিন্তু যখন কারন জিজ্ঞেস করা হবে তখন তোতলাবে। যাইহোক এটা কেবল কোনো সমকামীদের নিয়ে সিরিজ নয় এটা এমন একটা সিরিজ যেটা ভীষন প্রাক্টিক্যাল আর প্রত্যেকের পারসপেকটিভ ভিউ তুলে ধরেছে। ভিউ তুলে ধরেছে মানে সেটাকে জাস্টিফাই করে দিয়েছে সেটা নয়, যেটা ওয়েল প্ল্যানড, ঠান্ডা মাথায় করা হয় তখন তার জাস্টিফিকেশন থাকেনা। কিন্তু কেনো মানুষ ওরকম করে, তার বিল্ড আপ, সোসিও-ইকোনম্যিক্যাল এসপেক্ট কতটা তাকে ওটা করতে বাধ্য করে, তা তুলে ধরেছে। 
    প্রথমত এটায় একাধিক গল্প রয়েছে আর একাধিক ইস্যু তুলে ধরেছে, এবার আমরা তো ইস্যু গুলো জানিই তাহলে এস্পেশ্যালিটি কী?
    কোনো একটা পার্টিকুলার সিনেমা কিংবা সিরিজ এতগুলো ব্যাপার একসঙ্গে প্যারালালি আর টু দ্যি পয়েন্ট তুলে ধরেছে বা পেরেছে এরম মাথায় আসছেনা। 
    এবার কেও যদি বলে মানুষ ভুল করে কারন মানুষ বলেই তা বলে ক্ষমা করা যায়না কিংবা আমি যদি Adil( Tara's Husband) এর জায়গায় থাকি (বা ভায়েস ভার্সা-তারার জয়গায়) তাহলে কি করবো? এইসব আলোচনা সাপেক্ষ তবে আমি মনে করি মুখে সরি বলে বা চাপে সরি বলে কিছু হয়না। যখন মন থেকে অনুশোচনা হবে আর সেটা একদিন না একদিন হবেই তখন সে শাপমুক্ত হয় যদিও তাকে ক্ষমা করলেও নিজের পাপবোধ কখন‌ই যাবেনা। আর আমার এই কথা গুলো তখন‌ই বুঝতে পারবে যখন কেও সিরিজটা দেখবে। আমি দুটো বিষয়ে আপাতত বললাম ঘটনাগুলো উল্লেখ না করে।
   এখানে কিভাবে একজন সত্যি পোগ্রেসিভ ছেলে তার প্রেমিকার অতীত কে ইগনোর করে তাকে একসেপ্ট করে, কিভাবে অল্প বয়সি মেয়েরা যারা ফ্যান্টাসি করে কিন্তু ইমোশনে সত্যি ভালোবেসে ফেলে, লাভ বিওন্ড এজ এবং তাদের সন্তানদের মাইন্ড চেনজিং, সমকামীদের সাপ্রেসড থাকা,  হিউম্যানিটি বিওন্ড বিজনেস, রাষ্ট্রর শোষন, "সো কলড্" পোগ্রেসিভ ফ্যামিলি, "সো কলড্" পোগ্রেসিভ মহিলা যিনি পাইলট আর ফেমিনিস্ট কিন্তু তার‌ই বিয়েতে মোলেস্টেড হ‌ওয়া মেয়েকে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করানো, ছেলের সমষ্যার কারনে আনসাকসেসফুল বিয়ের পর বৌয়ের নামে দোষ চাপানো, লোকে কি বলবে তার ভয়ে নপুংসপক স্বামীকে বাধ্য হয়ে গ্রহন করা এবং পলিটিক্যাল লিডারের আসল মুখ( যেমন হয় আরকি) খসে পরা এতো ভালো দেখেয়িছে যেটা আমরা কেও ইগনোর করতে পারবোনা সে যত‌ই এই ইস্যু গুলো আমরা জেনে থাকিনা কেনো। আসলে সমাজের অন্তঃসারশূন্য অবস্থাটা এক্সরে করে দেখিয়ে দিয়েছে। 
   আগেই বলেছি সমাজের কারনে মানুষ কিছু করলেও সেটা জাস্টিফাইড নয় কিন্তু যে মানসিকতা থেকে সেটা হয় আর তার ডিলেমা, তা ইগনোর করা যায়না। কোনো মানুষের বড়ো/উপরের ওঠার ইচ্ছার জন্য যেমন বাজে ঘটনা মানা যায়না তেমনি তার সেরম হতে চাওয়ার সামাজিক কারন‌ও ইগনোরড হয়না। 
   ভালো খারাপ এখানে আপেক্ষিক যেটা আমাদের সকলের সাথে জড়িত। একটা অত্যন্ত ভালো মহিলা কিন্তু ওপরে ওঠার জন্য গোল্ডডিগার, এক একজনের কাছে এক এক রকম। 
       এই ধরনের কনসেপ্ট, সিরিজ হিসেবে আমার পছন্দের নয় কিন্তু এই সিরিজটা ভালো। 
      প্রত্যেকে অভিনয় দারুণ করেছে একমাত্র জাসপ্রীত এর রোলটা যে করেছে সে বাদে। তারার অভিনয় যিনি করেছেন তিনি জাস্ট অসাধারন, পিওর ক্লাস অভিনয় করেছেন। পারফেক্ট। কালকিকে আমার কোনো কালেই ভালোলাগেনা কেনো জানিনা আর করনের চরিত্রটা ন্যাচারাল মনে হয়েছে। করন কে কোথাও গিয়ে অনিচ্ছাকৃত পার্ভার্ট দেখিয়ে ফেলা হয়েছে, আমার তাই মনে হলো য‌ত‌ই তার দুঃখ থাকুক বা জাস্টিফিকেশন কিংবা মিউচুয়াল কনসেন্ট থাকুক। কবীর এর রোলটা আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আসলে তার কারন কবীরের দেখার ভঙ্গিটা।
ডালিপ তাহিলের মতো হেবি ওয়েট ক্যারেক্টরর, আদিলের বাবা হিসেবে দেখানো কোনো দরকার ছিলোনা, কম নাম‌ওয়ালা কেও হলে আমার মনে হয় ওই রোলটা বেশি ভালো হতো যদিও উনি অভিনয় ভালোই করেছেন।
    যারা জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি, ফেমিনিজম, সামাজিক সমষ্যাগুলি নিয়ে কাজ করে তাদের জন্য মাস্ট ওয়াচতো বটেই, টিনেজার এবং সকলের‌ই দেখা উচিত আর শেখা উচিত।

Season 1 consists 9 episodes and each episode runs approximately 50 minutes.

Read the lines from the images.

Tuesday, 14 April 2020

Everyone is a gangster until the "DARK" arrives.

     Netflix এরতো বটেই বরং যতো ওয়েভসিরিজ আছে তাদের মধ্য যদি একটা Genre বানানো হয়  TIME TRAVEL-PARADOX-DRAMA-MIND TWISTER-SCIENCE FICTION-CONFUSION-MUSIC এইগুলো নিয়ে তাহলে আজ অবধি হ‌ওয়া বেস্ট সিরিজ এটা, অন্তত আমার দেখা। হ্যাঁ ইনক্লুডিং সিনেমাও আর আমার Predestination দেখা। যদিও সিনেমার সঙ্গে ওয়েভ সিরিজের তুলনা চলেনা কখন‌ই তাও যদি কেও তুলনা করে তাই বলে রাখলাম।

     যারা অনন্ত ১০ টা ট্যুইস্টফুল ওয়েভসিরিজ দেখেছিস তারা এখন যা যা দেখছিস সেসব বন্ধ করে DARK  দেখ। ১০ টা একটা নাম্বার মাত্র আমার বক্তব্য ওয়েভ সিরিজ দেখার ম্যাচুরিটিটা হলেই এটা দেখা যেতে পারে। এবার কেও বলতে পারে সেটা কিরকম ! এর আবার ম্যাচুরিটি কিসের ! কেনো বললাম সেটা সিরিজটা দেখলেই বোঝা যাবে। আমি গ্যারান্টি দিতে পারি অধিকাংশ মানুষের এটা ভালোলাগবেনা কারন তারা বুঝতেই পারবেনা কোথায় কি হচ্ছে আর মাঝপথে দেখা বন্ধ করে দেবে কিংবা বারবার গুগল ঘেঁটে বোঝার চেষ্টা করবে। এখানে চাই লিঙ্ক ধরে রাখার ম্যাচুরিটি যেটা সিম্পল সিরিজ দেখে হয়না তার জন্য দরকার হয় মাইন্ড টুইস্টার টাইপ সিরিজের। এর মানে এটা নয় যেগুলি মাইন্ড টুইস্টার নয় সেগুলো খারাপ, আমার মতে সব সিরিজের এক একটা ধরন থাকে আর Dark বুঝতে হলে মাইন্ড টুইস্টার ধরনের কিছু সিরিজ আগে দেখা প্রয়োজন। 
    
        এটা দেখতে হবে ভীষন ভীষন মনোযোগ দিয়ে নাহলে পরে পেন খাতা নিয়ে বসতে হবে। 
     
        প্রথম সিজনের প্রথম ৩টে এপিসোড ভীষন স্লো তারপর বিল্ড আপ আর তার কয়েকটা এপিসোড পরেই হঠাৎ করে আসল জায়গায় ডুকে যাবে। আমি আবারো বলছি কাওতালি মেরে এটা দেখলে ভালো তো লাগবেইনা কারন বোঝা যাবেনা উপরন্তু সময় নষ্ট যেটা এরকম মাস্টারপিস সিরিজ থেকে কেও পাক আমি চাইনা।

       মেইনলি ৪-৫ টা পরিবারের কয়েকজন কে নিয়ে ঘটনা হলেও যথেষ্ট কমপ্লিকেটেড ও অনেক ছোট ছোট ব্যাপার আছে। অল্প কিছু মানুষকে নিয়ে হলেও সিরিজটায় কার সঙ্গে কার সম্পর্ক কি সেটা বোঝা ভীষন চাপ আর এটাই প্যারাডক্স। আমিও গুগল করার কথা ভাবছিলাম কিন্তু প্যারাডক্স গুলো যখন আস্তে আস্তে বেরোতে থাকলো তখন সম্পর্কগুলো পরিস্কার হলো । প্লিজ কেও গুগল ঘেঁটে দেখতে যাসনা কারন স্পয়লার পাবি সেখান থেকে। আমি এটার ভুক্তভোগী হয়েছি একটা বিষয়ে, যেটা সিজন২ এর শেষ এপিসোডে রিভিল হতো সেটা আগেই জেনে গেছিলাম।
  
           সিরিজটা টাইম ট্যাভেলিং এর উপর হলেও ক্রাইম, লাস্ট, ডিলেমা অনেককিছুই রয়েছে। গেম অব থ্রোনস এর পর কোনো সিরিজ এতোটা মনকে আর মাথা কে তৃপ্তি দিলো। Got আর Dark দুটো দুধরনের, কারোর সাথে কারোর তুলনা চলেনা তবে GOT যদি বেস্ট Plot twister হয় তাহলে Dark বেস্ট Mind Twister.

      এরপরেও হয়তো কারোর ভালো নাও লাগতে পারে কারন সবার সব Genre পছন্দ হয়না তবে অন্য কোনো কারন থাকলে সেটা বললে খুব ভালো হয় আমার।

৮.৭ অন IMDB, ৯৪% অন Rotten tomatoes, ৪.৯ আউট অব ৫ অন Facebook.

     মোট ১৮টা এপিসোড দুটো সিজন মিলিয়ে আর প্রতিটা এপিসোড এপ্রক্সিমেটলি ১ঘন্টা করে।

      জানিনা এই সিরিজটা কি করে প্রচার পেলোনা আর আমার কাছে এতো দেরি করে এলো। সিজন২ শেষ হলো অলটারনেট রিয়েলিটি এর সূচনা করে। আর সিজন৩ এবছর জুন মাসে বেরোবে যেটা ফাইনাল সিজন।
       মাথা খারাপ হয়ে আছে এখনো আমার। 

Just a meme for your mind, u can take this as a mind twister like toungue twister.

Wednesday, 8 April 2020

Contagion...

বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা দুনিয়া জুড়ে যেরকম অবস্থা কোরোনা ভাইরাসের জন্য ঠিক সেরকম‌ই প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি হয়েছে এই সিনেমাটা। 
    ঠিক কিভাবে ছড়িয়েছে এই রোগ বিশ্ব জুড়ে, তার ভয়াবহতা, মানুষের মধ্যে ত্রাস এবং আরো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি যখন হয় তখন খাওয়ারের জন্য মানুষ মানুষকে আক্রমণ, অরাজকতা ইত্যাদি তুলে ধরেছে। 
     তবে এই সিনেমাটা অত্যন্ত মাথা ভারী সিনেমা মানে নামজাদা অভিনেতাদের এই সিনেমায় নেওয়া তো হয়েছে কিন্তু বেশিরভাগ চরিত্র জাস্টিফায়েড হয়নি। 
        সিনেমার ওরিয়েন্টেশন সিরিয়াস হলেও কখন‌ও তা করে উঠতে পারিনি বরং অত্যন্ত ক্যাজুয়াল আর স্লো-বোরিং সিনেমা হয়েছে।
      অনেককিছু দেখাতে গিয়ে কোনো কিছুই ঠিক দেখাতে পারিনি আবার দরকারি অনেক বিষয় দেখায় নি। ফ্রিকশন ধরে নিয়ে মেনে নিলাম যে বিজ্ঞান বিষয়ক ব্যাপার গুলো দেখানো প্রয়োজন মনে করেননি নির্মাতারা তবু‌ও কিছু বিশেষ মুহুর্তের কথা ভাবতেই পারতেন।
   একটা বিষয় ভালো লেগেছে আর সেটা হলো টিকাকরনের তারিখ ঠিক করার বিষয়টা, পদ্ধতিটি ঠিক না ভুল আলোচ্য হলেও ভীষন রিয়েলেস্টিক লেগেছে।
    কোইনসিডেন্টলি এই সিনেমায় যে ভাইরাসটা মহামারীর আকার নিয়েছে সেটার অরিজিন ছিলো বাদুড়‌‌।
   ভালো হয়তো লাগবেনা তবে এই পরিস্থিতিতে শিক্ষনীয় এবং দেখা যেতে পারে।

Sunday, 5 April 2020

Bibaho Diaries/বিবাহ ডায়েরিস.. এবং A Wrinkle in Time/এ রিঙ্কেল ইন টাইম...

Bibaho Diaries...
     গতকাল হাতে কোনো সিনেমা ছিলোনা দেখার জন্য তাই বিবাহ ডায়েরিস সিনেমাটা ডাউনলোড করে চালিয়ে দিলাম। ওমা দেখি এতো ইয়ং জেনারেশনের প্রেমের বিয়ের এফেক্ট আর কিভাবে কি হয় সেসব দেখাচ্ছে।  মধ্যবিত্ত বাড়ির মায়ের উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ের প্রতি ধারণা আর সাংসারিক মা-বৌমার ইনিংস যা হয় আরকি। কিন্তু এর পরে গিয়েও সিনেমাটা ওই টিপিক্যাল বাংলা সিনেমার মেজ-সেজ বৌ সিনেমার মতো পারিবারিক ড্রামা হয়ে ওঠেনি। আমাদের জেনারশনের বিয়ের প্রতি যে ভয় তা দেখিয়েছে এবং তার কারনটা ব্যাখ্যাও করেছে তবে মজার ছলে করায় ব্যাপারটা বেশ এড়িয়ে গেছে। তবে ইয়ং জেনারশনের বিয়ের প্রতি ভয়, সংসার, সম্পর্ক ঠিক যেরকম টাই হয় ঠিক তেমনটাই ফুটিয়ে তুলেছে। এটা কোনো রোম্যান্টিক সিনেমা না এটি একটি বাস্তবিক সিনেমা যার মধ্যে বহু মানুষ নিজের জীবনের মিল পাবে, মিল পাবে সমবয়সি প্রেমিক-প্রেমিকারা, নাট্য জগতের সঙ্গে যুক্ত মানুষরা, মা-বৌমারা, সর্বোপরি বৌয়ের ভয়ে চুপসিয়ে থাকা বরেরা যাদের বৌকে লুকিয়ে ফুটবল দেখতে যেতে হয়। তবে সিনেমাটা মোটেই মুখ গোমড়া করে রাখা সিরিয়াস সিনেমা নয়। প্রথম থেকে শেষ অবধি ঠোঁটের কোনো হাসিতো থাকবেই মাঝে মাঝে পেটে হাসির জন্য খিল ধরে যাবে। এরম একটা সিরিয়াস সিনেমাটা যেভাবে হাসির মধ্যে দিয়ে উপস্থাপনা করা হয়েছে তা সত্যিই অনবদ্য। 
    সোহীনি কে নিয়ে আর কি বলবো, অন্য জাতের অভিনেত্রী। 
    বিশ্বনাথ‌ অল্পসময় স্ক্রিনিং নিলেও সুন্দর পারফর্মেন্স করেছে।
    বিশ্বনাথের প্রেমিকার চরিত্রটা ভীষন দরকার ছিলো আর এটাই সিনেমার মাস্টারস্ট্রোক কারন ওই চরিত্রটা সেই মানুষদের রিপ্রেজেন্ট করে যাদের আমরা অন্যভাবে দেখি। তাদের বিচার করি কাপড় নিয়ে, তাদের তথাকথিত জানু পুচু সোনা বলে ডাকার "নেকামোকে", কথা বলাকে। কিন্তু এদের মধ্যে যে নরম মনটা, একটা ভালো মানুষ থাকে সেটাই এই চরিত্র তুলে ধরেছে। ঠিক যেমন করিনা কাপুরের চরিত্র Kabhi Kushi Kabhi Gham এর।
   ঋত্ত্বিককে নিয়ে বলার কিছু নেই, উনি সমস্ত কিছুর উর্দ্ধে। 
         তবে পারিবারিক সমষ্যাগুলি বেশী না দেখিয়ে সিনেমাটা মেইন জায়গায় নিয়ে গিয়েছে যেটা আরো দেখানো উচিত ছিলো হয়তো এটা ভেবে দেখাইনি যে সবাই সমষ্যাগুলো জানে কিন্তু যারা এখনো বিয়ে করিনি তারা আরো কিছু উদাহরন দেখতে পারতো অভিজ্ঞতা তৈরির জন্য।

A Winkle In time...
  Disney এর সিনেমাগুলো মেইনলি বাচ্চাদের জন্য হলেও বড়োদের‌ও ভালো লাগে। এই সিনেমাটা স্পেস আর অন্য ডাইমেনশনের ব্যাপার থাকায় দেখা শুরু করি। শেষের দিকে গিয়ে আর দেখতেই ইচ্ছা করছিলোনা। Meg চরিত্রটা ভীষন ইরেটেটিং। দুর্বল থেকে শক্ত হ‌ওয়ার বিলিন্ডিং না দেখিয়ে শেষে টিপিক্যাল হিন্দি সিনেমায় যেমন আধমরা হিরো হঠাৎ বেচে উঠে সবাইকে কেলায় তেমন টাইপের ফিনিশিং অনেকটা। যতটা সিরিয়াস বিল্ড আপ করতে চেয়েছে ঠিক তার উল্টোটাই হয়েছে।
     তোস্য জালি।

Chernobyl...

পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড়ো নিউক্লিয়ার ডিসাস্টার। আমি এটা জানতামনা যদিনা চার্নোবিল দেখতাম। এটা একটা ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা যেখানে টুইস্ট কিংবা ইচ্ছামতো গল্প জুড়ে সেই মাইন্ডব্লোয়িং ব্যাপারটা করা যায়না আর এটাই সিরিজটার ক্রাইসিস আর জন কেনেডি বলেছিলেন সবকটা ক্রাইসিস হলো অপারচুনেটি, অন্য কিছু করার ও আউট অব বক্স ভাবার‌ । সিরিজের নির্মাতারা প্রয়োজনে কিছু চরিত্র সংযোজন করেছে কিন্তু একটা জানা ঘটনা এমন কি করা যায় যেটা একটা মাস্টারস্ট্রোক হয়ে ওঠে আর এখানেই HBO তার খেলাটা খেলেছে। এঁরা গভীর থেকে গভীরতম ডিটেলে গেছে আর কিছুটা ডকুমেন্টরি স্টাইলে কিন্তু সিরিজ হিসেবেই দেখিয়েছে। একটা মিনি-সিরিজের মধ্যে অন্যরকম ফিনিশিং। 
    প্রত্যেকটা চরিত্র দুর্দান্ত অভিনয় করেছে কিন্তু চার্নোবিলের হিরোর থেকেও আমার কাছে হিরো বরিসের অভিনয় যিনি করেছেন।
     Borris- "I thought it was not serious because they chosed me"
    Legasov- "And they wrongfully did the best thing, they have sent their best person"
  হিরোশিমার বম্বিং থেকে প্রায় ৪০০ গুন রেডিয়েশন বেরিয়েছিলো এই দু্ঘটনায় যার জন্য এখনো চার্নোবিলের আসেপাশে রেডিয়েশন কমানোর কাজ চলছে এবং এস্টিমেট করা হয়েছে ২০৬৫ সালে সেটা কমপ্লিট হবে। 
  কেনো হলো , ভয়াবহতা আর কতো মানুষকে বাড়ি ছাড়তে হয়, জন্মগত ডিফেক্ট আর সব এই সিরিজটা দেখলেই বোঝা যাবে। স্পয়লর দেওয়া আমার কাজ নয়। 
  এটি দেখার সময় মনে রাখতে হবে এটা ফিকশনল নয় তাই অন্যান্য সিরিজের মতো আশা করলে হবেনা এটাকে ডকুমেন্টরি হিসেবে দেখতে হবে। আর যদি মজার জন্য কেও কিছু দেখতে চায় তাহলে এটা তাদের জন্য নয়
5 episodes only and each episode is from 55 to 65 minutes long.

Kota Factory...

আমার মতে সবসময় সবার যেকোনো সিনেমা দেখা উচিত নয়, ঠিক সিকোয়েন্স/লেভেলে দেখা উচিত যেমন একজন ছোট বাচ্ছা যেমন "শ্রীকান্ত" বুঝতে পারবেনা কিন্তু "চাঁদের পাহাড়" বুঝবে আবার সেই যখন প্রেমে পড়বে বা বুঝতে শিখবে তখন "শ্রীকান্ত" বুঝতে পারবে, সিনেমার খেত্রেও এরম হয়। 
   শুরুতেই কাওকে SEVEN/FIGHT CLUB এই জাতীয় সিনেমা না দিয়ে প্রথমে তাকে BIRD BOX/Shawshank redemption এই জাতীয় সিনেমা দেখিয়ে সিনেমার প্রতি টান তৈরি করাতে হবে। এবার এরা যখন এই রকমের সিনেমাগুলো দেখে ফেলবে তখন এই জেনের অনান্য সিনেমা আর ভালোলাগবেনা কারন তারা বেস্টটা দেখে নিয়েছে যেমন রসোগোল্লা খাওয়ার পর মিষ্টি দ‌ইটা যেমন হয়।
   অল্প বয়সের প্রেম, নতুন বা প্রথম প্রেমে পরে নিজেকে বোকা বোকা লাগা বলতে না পারার কষ্ট এবং একটি মিষ্টি মেয়ের প্রতি টিনেজ বয়সের দূর্বলতা এরম জাতীয় সিনেমা অনেক দেখেছি। আবার এডুকেশন নিয়ে যে সমষ্যা আছে তার ভ্যারিয়েশন দেখেছি। মানে দুটোর কম্বাইন থিয়োরির সিনেমা দেখা। আমি এমন একটা স্টেজে আছি যেখানে টিনেজ প্রেম ও পড়াশুনার বিষয় গুলো বুঝি কিন্তু ওই ফ্যাসিনেশন নেই অভিঞ্জতার কারনে।
  তারমানে কোটা ফ্যাক্টরি বাজে? এক কথায় ভালো আর ভীষন ভালো তাদের কাছে যারা সবে প্রেমে পড়েছে, টিনেজ বা সবেসবে টেস্টোস্টেরন বুস্ট হচ্ছে। মানে আমাদের ওই ১১-১২ এর সময় টা যেমন আরকি।
    জিতু ভাইয়া আচ্ছে তো লাগতে হ্যায় লেকিন সাচ্ছে নাহি লাগতে কারন ব্রিলিয়ান্সি দেখাতে গিয়ে সব সমষ্যার সলিউলন দেওয়া প্র্যাক্টিক্যাল নয়। 
  শিবাঙ্গী চরিত্রটা যে করছে সেতো অল্পবয়স থেকেই অভিনয় করে , দারুন অভিনেত্রী। 
     ভৈভব চরিত্রটা হলো আমাদের কম-বেশি মাধ্যমিকের ভালো ছেলেটা। অভিনয় বেশ ভালো করেছে।
   মীনা- গরীব ঘরের ছেলে তাই স্বাভাবিক কারনে দুর্বল চরিত্র তবে অভিনয় ভালোই করেছে।
   ভার্তিকা রাত‌ওয়াল- সত্যি বলতে অনেকদিন পর কোনো মেয়েকে আমার এতো সুন্দর লাগলো, ক্লাস ১১ এ গিয়ে ছেলেরা ঠিক যেরকম মেয়ের সামনে গিয়ো বোকা বনে গিয়ে তোতলায় ঠিক সেরকম ই, একটা মমতাময়ী মুখ।
  এরকম টাইপের সিরিজ গুলো হয় স্ট্রেচ করতে গিয়ে মাঝে সিরিয়ালের মতো ড্রামা ডোকায় মানে সমষ্যা আর শেষে গিয়ে যখন মিল দেখায় সেটা তেতো হয়ে যায়। আর হতে পারে ক্যারিয়ারিস্টক দেখিয়ে একটা দুখি ব্যাপার দিয়ে এন্ড দেখাতে পারে বা ক্রস কানেকশন। 
   Kota Factory যেনো এমন না করে। মিষ্টি গল্পটা মিষ্টি রোম-কম-এডু হিসেবে শেষ করুক টিনেজ জেনারেশনের কাছে।

ASUR/অসুর...

খুশি হচ্ছি এই দেখে যে সিরিয়াল টাইপ আর অহেতুক যৌনতাপূর্ণ ওয়েভ সিরিজ বাদে অন্য ধরনের ওয়েভ সিরিজ তৈরি করার কথা ভাবছি এবং চলতি টাইপের বাইরে গিয়ে বিশ্বমানের সাসপেন্স, থ্রিলার, ক্রাইম ড্রামা তৈরি হচ্ছে। অসুর তার‌ই প্রতিফলন। 
      আমি আফসেট এন্ডিং এর জন্য, প্রেক্ষাপট যেমন সুন্দরভাবে তৈরি হয়েছিলো সেটার ছন্দ কাটে  ৭ নং এপিসোডে আর ৮/শেষ এপিসোড ভীষন প্রেডিক্টেবল ও গ্রেম অব থোনস এর মতো ঝোলানো। 
   হয়তো সিসন ২ করার পরিকল্পনা রয়েছে কিন্তু সিরিজটা একটা সিসনেই দারুনভাবে শেষ করতে পারতো সেক্ষেত্রে আরো ১ কিংবা ২ টো এপিসোভ হয়ে যেতো।
       আর যদি সিসন ২ না আসে তাহলে অনেক প্রশ্ন পরিস্কার হবেনা।
আমি ওয়েভ সিরিজ তখন‌ই দেখি যখন তার লাস্ট সিজনটা বেরোবে বেরোবে করে তখন একবারে পরপর সবকটা দেখে নি। এইটা শুনেছিলাম ওপেন/ক্লোজ দুটো টাইপ‌ই আছে তাই দেখলাম।
       হ্যাঁ আপসেট কারোন দারুন একটা সিরিজ হতে পারতো, এতো সুন্দর প্রেক্ষাপট তৈরি করে মুখ থুবড়িয়ে পরলো। শেষ এপিসোডটা আনরিয়েলেস্টিক আর টিপিক্যাল হিন্দি সিনেমার মতো যেমন কথা বলার সময় দরকারি ইনফো দিতে গিয়ে হাফ বলার পর নেট‌ওয়ার্ক ডিস্টার্ব করা।
      আরশাদ ওয়ারসি আরো ভালো অভিনয় পারেন বলে আমি মনে করি আর নিখিলের চরিত্র CBI হিসেবে অত্যন্ত দুর্বল লেগেছে।
       GOT, DARE DEVIL  এর অনেকদিন পর এতো ভালো সিরিজ দেখলাম।

Cinemar year ending..

১ বছরে ১৩৭ টা সিনেমা যেনো cinemar year ending...

ভীষন সিনেমা দেখতে ভালোবাসি, যখন যা পাই সুবিধামতো দেখে নি। এভাবে অনেক সিনেমা দেখেছি, আগের বছর মার্চ মাসে ভাবলাম একটা ডেটা তৈরি করি সেটায় ওই মাস থেকে যে যে সিনেমা দেখেবো তার নাম আর যেদিন দেখেবো তার ডেট লিখে রাখবো। নানান খেয়ালে সবসময় লিখে রাখা হয়না তাও যথটা সম্ভব লিখে রেখেছি। এতে কিছু সিনেমা বাদ গিয়েছে মনে না থাকায় আবার বেশ কিছু সিনেমা দেখা থাকা সত্ত্বেও আবার দেখেছি ডেটায় রাখবো বলে। তা গত মার্চ থেকে এই বছর মার্চের ৩১ তারিখ অবদি হিসেব দাঁড়ালো ১৩৭ টা সিনেমা+ ওয়েভ সিরিজ(১৩৭ এর মধ্যে ১০ টা ওয়েভ সিরিজ) দেখেছি যার মধ্যে ১০ টা(এতো কম হলো কেনো মাথায় ডুকছেনা) সিনেমা হলে গিয়ে দেখেছি  । ওয়েভ সিরিজের খেত্রে একটা পুরো সিজন কে ১ হিসেবে ধরেছি( ১ টা এপিসোড কে নয়) যেমন "দ্যি অফিস" দুটো সিজন তাই ২ ধরেছি। প্রায় মাসে এপ্রক্স ১২ টা করে, আরোও হতো যদিনা নেটফ্লিক্স একাউন্টটা ছাড়তাম আর ফেসবুকে না আসতাম। 
      তাও ১৩৭ এক বছরে কম নয় বোধহয় । 

ওয়েভ সিরিজের খেত্রে-
        সবচেয়ে ভালো লেগেছে -Game of thrones  এবং Asur.
        সবচেয়ে খারাপ লেগেছে-Doom Patrol( ডিসির ব্যানার তাই বুকে পাথর রেখে বলতে হচ্ছে)
        ওভাররেটেড মনে হয়েছে-Criminal Justice এবং Breaking Bad
       স্পেশাল মেনশন-The Witcher

সিনেমার খেত্রে-
          সবচেয়ে ভালো লেগেছে-Shawshank Redemption,Forrest Gump, Joker, Parasite, Bird Box
         সবচেয়ে খারাপ লেগেছে- Annihilation, Priest, Statis
        ওভাররেটেড মনে হয়েছে-Pulp fiction, Snowpiercer, The Irishman
       স্পেশাল মেনশন- The Godfather 1, 3 Idoits, The lunchbox, The shape of water, Side effects, Seven, 1922, Marriage story(For acting-Scarlett Johanson's best acted movie ever done till now), 1917, The cloverfield paradox, Bhranti Bilas.

কেও কোনো সিনেমা নিয়ে কিছু বলতে চাইলে বলতে পারেন।