যাবো যাবো নয় বরং বেরিয়েই পরতে হয়...
দেউলটি,কলকাতা থেকে মাত্র ৬৫ কিঃমিঃ দূরে । কথাশিল্পী শরৎচন্দ্রের এক বাড়ি । নদীর তীরবর্তী এই জায়গাটি ঘোরার জন্য অত্যন্ত মনোরম । শীতের ৩ মাস জায়গার অভাবে অনেকে পিকনিক না করতে পেরে ফিরেও যায় । আর এই তটের বিশেষত্ব তীব্র প্রখর গরমের বিকেলগুলি।
গরমের সময় আমার মতো মানুষ ছাড়া সাধারনত এদিকছ কেও আসেনা। তবে জায়গা শহরের একদম ঘেঁষা হলেও ১ দিন কাটানোর জন্য অনবদ্য ।
এমনিতে আমার শরৎচন্দ্রকে ভীষন ভালো লাগে ,মূলত তাঁর বাড়ি বলেই এই প্ল্যানটা করেছিলাম । তাই রবিবার বেরিয়েই পরলাম।
আমি আমার বাহন ,বাইক নিয়ে ভোর ৬.৩০ টা নাগাদ বেরিয়ে পরি , সঙ্গে এক ভাইকে নিয়ে। বালি হয়ে , ৬ নং জাতীয় সড়ক ধরে সোজা পাঁচলা গিয়ে থামি। গরম চা আর পরোঠা খেয়ে আবার বেরিয়ে পরি । ৮ এর পরে আমরা দেউলটি পৌঁছে যাই।
প্রথমেই যাই নদীর ধারে, মেঘলা থাকায় আবহাওয়া বেশ ভালো লাগছিলো । কিছুক্ষন নদীর ধারে থেকে গেলাম শরৎচন্দ্রের বাড়ি। চারিদিকে গাছ দিয়ে ঘেরা এই বাড়িটায় আশ্চর্য রকমের শীতল গাম্ভীর্যতা বিরাজ করছিলো ।
বাড়িটা একটি ছোট মিউজিয়ামের মতো , ওনার ব্যবহৃত সামগ্রি নিয়েই বানানো। রয়েছে ওনার ব্যবহৃত হুকো , বিছানা, সংগৃহীত বই ইত্যাদি। বাড়িটির রক্ষনাবেক্ষন করেন এক মধ্য বয়স্ক ব্যক্তি যাকে শরৎচন্দ্রের নাতি মাইনে দিয়ে থাকেন।
এখান থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে বিখ্যাত শের ই পাঞ্জাব ধাবা। আমরা সছখানে গিয়ে অম্তসম চা , আলুর পরোঠা এবং কালাকাঁদ খাই। দাম সাধ্যের মধ্যেই ।
সারাদিন কাটিয়ে আবার বিকেলে চলে আশার জন্য আদর্শ ।
No comments:
Post a Comment