বাইকে বহু জায়গায় ঘুরতে গেলেও একা কোনোদিনও জাইনি | সেই কারনে ১০০ কিঃমিঃ এর অধিক কোনো জায়গায় বাইকে যাবো ভাবলে ভয় লাগতো | আমার মাথার ঘোরার পোকা যে কখন চাগাড় দিয়ে ওঠে তার ঠিক থাকেনা তাই আমার সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সবার হয়ে ওঠে না উপরন্তু আমার নিরিবিলি ভ্রমন যাকে কিনা সোলো ট্যুর বলে ,করতে বেশী ভালোলাগে |
সাহস করে বেরিয়ে পরলাম | কিছুটা যাওয়ার পর আরষ্ঠতা কেটে গেলো , আমার মতো ভীতু যে কিনা ৪০ গতিবেগে বাইক চালাতে ভয় পায় সে 80-100 গতিবেগে নিশ্চন্তে বাইক চালিয়ে গেলো | 3 ঘন্টা 30 মিঃ লেগেছিলো বিশ্বভারতী ডুকতে | মাঝে দু জায়গায় বিশ্রাম নিয়েছিলাম | এক জায়গায় চা খেয়েছিলাম এবং শক্তিগড়ে গিয়ে সকালের খাবার সঙ্গে বিখ্যাত শক্তিগড়ের ল্যাংচা |
পুরো রাস্তা অপূর্ব সুন্দর বিশেষ করে বর্ধমান থেকে বোলপুরের রাস্তাটি | দুদিকে হয় সবুজ খেত নাহয় গাছের সারি | মাঝে জঙ্গল চিরে গিয়েছে পাকা রাস্তা | মনে এক অদ্ভূত শান্তি চলে এসেছিলো এই সময় , গভীর মন থেকে বারবার করে চিত্কার করে বলতে ইচ্ছা করছিলো ‘Wow,just wow!’
ইন্টারনেটে আগে থেকেই হোটেল বুক করে রেখেছিলাম , হোটেলের নাম রবিঙ্কনা | সায়রবিথি পার্কের বিপরীত দিকে এবং ফার্মভিলে রিসর্টের পাশে |
ঘরে ডুকে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে পরলাম শান্তিনিকেতন ঘুরতে ,রবী ঠাকুরকে আরেকবার চিনতে | ওনার আঁকা ছবি আর কাঠের কাজ গুলো দেখে কেবল মুগ্ধ হয়েছি তা নয় , লজ্জাও পেয়েছি এই ভেবে যে আমাদের মতো তুচ্ছ মানুষরা এনার সমালোচনা করার সাহস দেখাই |
লাল মাটির দেশ ,গাছগাছালি আর এক নিরিবিলিতা | হারিয়ে যাওয়া যায় এখানে | কোনো এক গাছের তলায় চুপচাপ বসে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দেওয়া যায় |
খোয়াই মেলায় বেশী সময় দেবো বলে আগে অন্য জায়গাগুলি দেখে নিয়েছিলাম| খোয়াইয়ে গিয়ে শকুন্তলা ভিলেজের কলাপাতায় দেওয়া ভাত খেলাম | দাম স্বাভাবিকের তুলনায় বেশী কিন্তু চমতৎকা্য স্বাদ | মাটির গেলাসে জল | গ্রাম্য পরিবেশের ক্ষুদ্র সংস্করন এটা | খোয়াইয়ের জিনিসপত্র দেখা এবং ওখানকার বাউলগান শোনা সবই করলাম | তবে মন ছুঁয়েছিলো দুটো ঘটনা| এক , আদিবাসীদের ট্রাডিশনাল নাচ , দুই , খোয়াই হাটের বহুরূপীর সাথে কয়েকজনের সেলফি তোলা ।বহুরূপী তখন ভূত সেজে চুপচাপ দাড়িয়ে ছিলো এবং সামনে একটা কাগজে লেখা 'বহুরূপীর মেয়ের একটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে তার চিকিৎসার জন্য সাহায্য দরকার।' মনে মনে একবার হাসলাম কেবল ।
এরপর কোপাইয়ে গেলাম কিন্তু সেই কোপাইকে কেনো জানিনা মনে ধরলোনা । ফোঁটাফোঁটা বৃষ্টি শুরু হয়েছিলো ,তাড়াতাড়ি হোটেলে চলে এলাম ।
ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে দেখি ঝড় ও বৃষ্টি ভালোই শুরু হয়েছে । আমি শান্তিনিকেতন গেলে শান্তিনিকেতন আমায় নিরাশ করেনা । সুন্দর এক আবহাওয়া উপহার দেওয়া শুরু করলো।
কিন্তু কিছুক্ষনের মধ্যেই এতো ভয়ানক রূপ নিলো যে ভয় লাগতে শুরু করলো । নিচে হোটেলের কর্মচারিদের কাছে এলাম , ঝড় উত্তোরত্তর বেড়েই চললো । হোটেলের আমগাছটা বারবার মনে হচ্ছিলো এই বুঝি ভেঙে পরবে ।
হঠাৎ এক বিশাল বাজ পরার আওয়াজ , হোটেলের পিছনের জানলার কাছে গিয়ে দেখি ফার্মভিলে দাউদাউ করে জ্বলছে । যতো বেশি হাওয়া দিচ্ছে ততো বেশি আগুন ছড়াচ্ছে ।
তুমুল বৃষ্টি সঙ্গে ভয়ঙ্কর ঝড় , তাতেই আগুনের শিখা আরো উপরের দিকে উঠতে লাগলো । ঝড়ের শব্দে আর কোনো আওয়াজ শোনা যাচ্ছিলোনা । মনে পড়ে গেলো চাঁদের পাহাড়ের সেই দৃশ্যের কথা , সেই অগ্নিদেবের জাগরণ , সেকি অদ্ভূদ আর বিভৎষ রুপ। সকলে নিরুপায় হয়ে বসে রইলাম । আতঙ্কের রাত , যেনো শেষ হতেই চায়না । অনেকক্ষন পর যখন ঝড় বৃষ্টির সাথে আগুন প্রায় নিভে এসেছে তখন দমকলের ঘন্টার আওয়াজ শোনা গেলো । পরে জানতে পেরেছিলাম দমকল ডুকতে পারিনি কারন দুদিকেই গাছ ভেঙে পড়েছিলো । রাতে খাওয়া হবেনা ধরেই ঘরে গেলাম । ওই দৃশ্যের পর আমার পক্ষে একা খাওয়ার আন্তে যাওয়া সম্ভব ছিলোনা তায় শুনতে পেয়েছিলাম যে রাস্তা কারেন্টের তাঁর ছিঁড়ে পরে আছে । এমন সময় পাশের ঘরের এক লোক খাবার আন্তে যাচ্ছে বলে হোটেলের কর্মচারীরা আমায় ডেকে বললো উনি খাবার আনতে যাবে আপনি খাবার আনতে চাইলে চলে যান । বেরিয়ে পরলাম , ভাঙা গাছ আর ছেঁড়া তাঁর কোনোমতে প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে পার করে গেলাম অনতিদূ্রের 'ঝালেঝোল' দোকানে । আমি চিকেন চাউ আর লোকটি ফ্রায়েড রাইস কিনলেন ।
৬০ টাকার বিনিময়ের চাউমিনটা ছিলো মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। মাংসের টুকরোগুলো আমরা যেরকম খাই সেরকম নয় , রোস্টেড টাইপের । আর প্রচুর মাংস।
ছবিগুলো একবার দেখে নিয়ে শুয়ে পরলাম । ভোর ভোর ঘুম ভাঙার পর হাঁটতে বেরোলাম । কোকিলের ডাক কি সুন্দর লাগছিলো । কিছু লোক ভেঙে পরে থাকা গাছগুলো সরাচ্ছিলো । এক কাপ চা খেয়ে ফিরে এলাম । হোটেলের দোলনায় কিছুটা সময় কাটিয়ে ছাঁদে গেলাম । ওখানে আলাপ হলো এক দাদার সাথে । ওরা যেতো কাংকালী মন্দিরে। আমায়ও যাওয়ার জন্য বললো । বেরিয়ে পড়লাম । ওরা টোটোয় আমি বাইকে । ওরা পুজো দিলো , তারপর গেলাম কাছের কোপাইয়ে। এখানকার কোপাই বেশ সুন্দর । গরম গরম কচুরী খেয়ে আমরা বেরিয়ে পরলাম । ওরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে চলে গেলো আমি হোটেলে ফিরে এলাম । ৩০ মিঃ মতো বিশ্রাম নিয়ে ফেরার জন্য বেরিয়ে পরলাম । আমার মনে হয়েছিলো দিনের বেলায় বেরোচ্ছি রাস্তায় অনেক গাড়ি থাকবে হয়তো তাই সময় হাতে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি । এই ধারনা ভুল ছিলো তা বাড়ির কাছে এসে বুঝতে পারলাম । বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দির নেমে একটু ঘুরে তারপর শক্তিগড়ে এসে লাঞ্চ করে , বাড়ির জন্য ল্যাংচা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম । ফেরার সময় সামান্য কম সময় লেগেছিলো রাস্তা বেশী ফাঁকা থাকা ।
শান্তিনিকেতন এক আবেগ , ভালোবাসার , ভালো থাকার জায়গা । আবেগ ও স্মৃতিময় থাকুক এই পরিবেশ....আবার দেখা হোক কোনো একদিন....
Hello Visiter, this is my personal blogging site. The contents are purely my own view on respective topics. Please leave your opinion on my post whenever you visit this page. This will help me to communicate with the thinking of everybody. Thanks !
Monday, 9 July 2018
বাইকে বোলপুর …
দূর্জেয় মেদেনীপূর....
দূর্জেয় কারন ৩০ ঘন্টার মধ্যে মেদেনীপূর গিয়ে আবার ফিরে আসা তাও বাইকে একপ্রকার বিস্ময়ের ব্যাপার ।
মন কিছুদিন গ্রাম গ্রাম করছিলো , সবার মন কেমন কেমন করে আর আমার ঘোরা ঘোরা।
বাইক রাতে চালাতে পছন্দ করিনা তায় আমার মরতে ভীষন ভয় , অনেককিছু অদেখা যে । অতৃপ্ত হয়ে মরলে ভূত অবশ্যই হবো তাই আরকি রাতে বাইক চালানো এড়িয়ে চলি । কিন্তু কপালের দোষ থাকলে কি আর করা যায় । ভেবেছিলাম শনিবার দুপুরের মধ্যে কাজ করে বেরিয়ে পড়বো । ওই যে অরন্যের প্রাচীন প্রবাদ , যেদিন তাড়া থাকবে সেদিন বেশি করে কাজ পড়বে আর দেরি হবে ।
বাড়ি ফিরে বেরোনোর সময় দেখি ৫.৩০ বাজে , নন্দকুমার থেকে আবার সিঙ্গেল লেন । ৪৫ মিঃ আলো পাবো তাই ওই টুকু সময় যথাসম্ভব জোড়ে চালিয়ে এগিয়ে গেলাম । সন্ধ্যের পরও খুব একটা সমষ্যা হচ্ছিলোনা কোলাঘাট অবধি দুদিকে আলো থাকায় কিন্তু কোলাঘাট পেরোতেই বিপত্তি । কোনো আলো না থাকায় অন্য লেনের আলো চোখে লাগায় রাস্তা একদমই দেখা যাচ্ছিলোনা । আমি এভারেজ স্পিড নিয়ে যথাসম্ভব সাইড করে ডিপারের আলো জ্বালিয়ে আর হর্ন মারতে মারতে এগোচ্ছিলাম । বহুসময় রাস্তা দেখতে পাচ্ছিলামনা , আন্দাজ করে চালাতে হচ্ছিলো । রাস্তার ধার দিয়ে গেলে, থাকে আরেক চিন্তা, সেটা হলো হুট করে কোনো প্রানী বা মানুষ চলে আসতে পারে , এমনিতে এই অবস্থা তায় সেরকম কিছু হলে গোঁদের উপর বিষফোঁড়া হতো তবে তেমন কিছু ঘটেনি । নন্দকুমার এসে চা খেলাম , রাস্তা এখান থেকে সিঙ্গেল লেন । ৩০-৪০ গতি রেখে এগিয়ে গেলাম , রাস্তার কাজ হওয়ায় এদিকে রাস্তাটা একটু খারাপ । চালিয়ে চলে এলাম বাজকুল , এখানে এক দাদার বাড়িতেই থকাবার কথা । বাজকুল থেকে প্রায় ১৬ কিঃমিঃ দূরে তাদের বাড়ি । একটা লোকের ওদিকেই যাওয়ার কথা ছিলো , সে ছেড়ে দিতে বলায় তাকে নিয়ে নিলাম । যখন দাদাটার বাড়ি ডুকলাম তখন বাজে ১০ ।
ফ্রেশ হয়ে খাওয়ার সময় পেলাম গ্রামের সেই আতিথেয়তা যার জন্যই এখানে আসা । এত পদ যে রুটি মাত্র ২ টো খেতে পারলাম , সব্জি মিষ্টি খেয়েই পেট ভরে গিয়েছিলো ।
অনেকক্ষন আড্ডা মেরে ঘুমাতে গেলাম , ভোরভেলা দাদাটা উঠে চলে যায় ধান ঝাড়তে । আমি উঠে একটু পর ধান ঝাড়া দেখতে মাঠে গেলাম । তবে ধান ঝাড়া কম আর সাপ দেখা বেশি হলো, এদিক ওদিক ছড়িয়ে বহু সাপ । আমার আবার বড্ড অপছন্দের এই সাপ । ওরা বললো এদের বিষ নাই তবুও সাপের চুমু খাওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিলোনা তাই ঘরে চলে এলাম । চা বিস্কুট আর তারপর মেদেনীপুরের ট্রাডিশনাল খাওয়ার মুড়ি , ঝুরিভাজা, আলু ভাজা, ডিম ভাজা ,শসা কুচি। সে পুরো অমৃত ।
এতদূর এলাম আর দীঘা যাবোনা ? তাড়াতাড়ি দেশী মুরগীর দিয়ে ভাত খেয়ে একেবারে দীঘাতট ।
পরেরদিন আবার অফিস ধরতে হবে তাই রাতে ফেরা জরুরি , অল্পসময় থেকে বেরিয়ে পড়লাম । বাজকুলে দাদাটিকে নামিয়ে নন্দকুমার ডুকছি যখন তখন আলো একদমই নেই। ধীর গতিতে ডিপার জ্বেলে আর হর্ন বাজিয়ে কোলাঘাট এসে চা খেলাম । মুম্বাই রোড অধিকাংশ আলো জ্বলে থাকার বদলে বন্ধ ছিলো । নিয়ন্ত্রিত গতিতে একেবারে উলুবেড়িয়া গিয়ে থেমে চা খেলাম । কনুইয়ের উপরটা তখন ব্যাথা করছে । পুরো জার্নির একটা ভুল করেছিলাম সেটা ফেরার সময় । একটা সময় রাস্তার মাঝ বরাবর গাড়ি চালাচ্ছিলাম পিছন থেকে একটা গাড়ি এসে ডিপার মারচ্ছিলো কিন্তু মিরর দেখে বুঝতে পারছিলামনা কোনদিকে যাবো কারন দুদিকে দুটো লরি । একটু রিস্ক নিয়েই বাঁদিকে গেলাম সামান্য , গাড়িটা সাইড থেকে বেরিয়ে যায়। আর অসুবিধা হয়নি। একেবারে বালি হয়ে ডানলপ ধরে ১০ টা নাগাদ বাড়ি ।
শহরের কোলাহল , কাজ ,চাপ, যখন মাথাব্যাথা হয়ে ওঠে তখন গ্রামের স্নিগ্ধতা মনে শান্তি আনে, যেমনটা আনে মায়ের কোল ।
সবার মন কেমন কেমন করে আর আমার টা ঘোরা ঘোরা ......
দেউলটি-কথাশিল্পীর বাড়ি
যাবো যাবো নয় বরং বেরিয়েই পরতে হয়...
দেউলটি,কলকাতা থেকে মাত্র ৬৫ কিঃমিঃ দূরে । কথাশিল্পী শরৎচন্দ্রের এক বাড়ি । নদীর তীরবর্তী এই জায়গাটি ঘোরার জন্য অত্যন্ত মনোরম । শীতের ৩ মাস জায়গার অভাবে অনেকে পিকনিক না করতে পেরে ফিরেও যায় । আর এই তটের বিশেষত্ব তীব্র প্রখর গরমের বিকেলগুলি।
গরমের সময় আমার মতো মানুষ ছাড়া সাধারনত এদিকছ কেও আসেনা। তবে জায়গা শহরের একদম ঘেঁষা হলেও ১ দিন কাটানোর জন্য অনবদ্য ।
এমনিতে আমার শরৎচন্দ্রকে ভীষন ভালো লাগে ,মূলত তাঁর বাড়ি বলেই এই প্ল্যানটা করেছিলাম । তাই রবিবার বেরিয়েই পরলাম।
আমি আমার বাহন ,বাইক নিয়ে ভোর ৬.৩০ টা নাগাদ বেরিয়ে পরি , সঙ্গে এক ভাইকে নিয়ে। বালি হয়ে , ৬ নং জাতীয় সড়ক ধরে সোজা পাঁচলা গিয়ে থামি। গরম চা আর পরোঠা খেয়ে আবার বেরিয়ে পরি । ৮ এর পরে আমরা দেউলটি পৌঁছে যাই।
প্রথমেই যাই নদীর ধারে, মেঘলা থাকায় আবহাওয়া বেশ ভালো লাগছিলো । কিছুক্ষন নদীর ধারে থেকে গেলাম শরৎচন্দ্রের বাড়ি। চারিদিকে গাছ দিয়ে ঘেরা এই বাড়িটায় আশ্চর্য রকমের শীতল গাম্ভীর্যতা বিরাজ করছিলো ।
বাড়িটা একটি ছোট মিউজিয়ামের মতো , ওনার ব্যবহৃত সামগ্রি নিয়েই বানানো। রয়েছে ওনার ব্যবহৃত হুকো , বিছানা, সংগৃহীত বই ইত্যাদি। বাড়িটির রক্ষনাবেক্ষন করেন এক মধ্য বয়স্ক ব্যক্তি যাকে শরৎচন্দ্রের নাতি মাইনে দিয়ে থাকেন।
এখান থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে বিখ্যাত শের ই পাঞ্জাব ধাবা। আমরা সছখানে গিয়ে অম্তসম চা , আলুর পরোঠা এবং কালাকাঁদ খাই। দাম সাধ্যের মধ্যেই ।
সারাদিন কাটিয়ে আবার বিকেলে চলে আশার জন্য আদর্শ ।