দেখবেন প্রবচন আছে যে যখন কিছু শুরু করবেন ধামাকা দিয়ে করুন, ধামাকাটা অনেক দূরে গিয়ে ঠেকবে।
ঠিক এমনটাই হয়েছে Gulabo Sitabo সিনেমায়।
গল্প কি তা বলে স্পয়লার দেওয়া আমার অনুচিত। তবে যে বিষয়গুলো নিয়ে বলা যায় সেগুলি বলছি।
কাস্টিং ডিরেক্টর একটা স্টান্ডিং ওভিয়েশন ডিসার্ভ করেন।
সকলের অভিনয় দূর্দান্ত যদিও বিজয় রাজ এর অভিনয় আগের কয়েকটা সিনেমার মতো একই ধরনের লেগেছে। কিছুটা আপসেট ওনার থেকে। অমিতাভজি যেরকম অভিনয় করেছেন এই সিনেমায় তার বিশ্লেষন করার যোগ্যতা আমার নেই। আয়ুষমান আবারো প্রমান করলো ওর সিনেমা মানেই চিরাচরিত সিনেমার বাইরে গিয়ে অন্য টেস্ট। সাইড রোলের সবাই বেশ ভালো অভিনয় করেছে সে বাচ্চা বোন হোক বা বড়ো বোন। উঠতি যাবানি, বাস্তববাদী হয়ে কাজ আদায় করে নেওয়া আর শিক্ষায় মোড়া দৃঢ়চেতা বোনের চরিত্র পারফেক্ট ফুটিয়ে তুলেছে মেয়েটি। বেগমজান তো আমার মনটাই কেড়ে নিয়েছেন। চাকরের চরিত্রের বোবা লোকটিও নিজস্ব কেলমা দেখিয়েছে অল্প স্ক্রিনিংএ।
সুজিত সরকারের সিনেমাগুলোই অন্যরকমের, ভালো বা খারাপ প্রত্যেকটা এপ্রিশিয়েট করা যায় এবং ডিরেকশন এই সিনেমায় অনবদ্য।
গল্প শুরুর প্রথম ৩০ মিনিট খুব মজার লাগবে কিন্তু তারপর থেকে বেশ স্লো কিন্তু সেটি ওভারলুকড হবে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আর ডিরেকশনের জন্য। দর্শক আইডিয়া করতে পারবে কি হতে পারে, কিছুটা ঠিক অনুমনও করবে কিন্তু পুরোটা পারবেনা আর এখানেই সিনেমার টুইস্ট। গল্প আমার আহামরি লাগেনি তবে যেরম টুইস্ট দেখানো হয়েছে সেরম আর কোনো সিনেমায় দেখাইনি, কেও ভাবতেও পারবেনা। পুরো অন্যরকম। বাংলা গদ্যে এরম একটা গল্প ছিলো যদিও অনেকটাই সেটা আলাদা। নামটা এখন মনে পরছেনা।
সিনেমার ম্যাসেজ পরিস্কার। তবে মাঝের কিছুটা সময় শুরুর মতো মজা ব্যাপারটা ছিলোনা, বেশ মেকানিক্যাল লাগছিলো।
এটি একটি সফল স্যাটায়ার, কিছুটা স্যাডিসটিকও। রিসেন্ট টাইমে এরম স্যাটায়ার হিন্দি সিনেমায় এতো ভালো ভাবে আর হয়নি প্রবাবলি।
No comments:
Post a Comment